
রাসেল হোসেন ঝিনাইদহ:ঝিনাইদহে মনিকা ইয়াসমিন (২১) নামে দুই সন্তানের এক জননীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর পরকীয়ার সম্পর্ক এবং স্বামী ও শাশুড়ির নির্যাতনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন তিনি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মনিকা ঝিনাইদহ পৌর এলাকার ছোট-কামারকুন্ডু গ্রামের মোঃ মতিয়ার রহমানের কন্যা, বিগত ৬ বছর আগে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুর গ্রামের মোঃ জাকির হোসেন এর ছেলে নিশাদ এর সঙ্গে পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয় মনিকা ইয়াসমিনের, এই দম্পতির দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১৩ অক্টোবর বিকেলে অসুস্থ চাচিকে দেখতে যাওয়ার জন্য স্বামী নিশাদ এর অনুমতি নিতে, বাড়ির নিকটস্থ হাটগোপালপুর বাজারে নিশাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যায় স্ত্রী মনিকা, এ সময় নিশাদকে ফোনে কথা বলতে দেখে,, কার সাথে কথা বলছে জিগ্যেস করে ফোন চায় মনিকা, এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে বাজারের মধ্যেই স্ত্রী মনিকাকে মারধর করে স্বামী নিশাদ।
পরে মনিকা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থ চাচির কাছে গিয়ে নিজের কষ্টের কথা জানান। এরপর আজ দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে বাবার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
পরিবারের আরও অভিযোগ, নিশান দীর্ঘদিন ধরে অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে মনিকাকে বিভিন্ন সময় মারধর করা হতো বলেও দাবি করেছেন স্বজনেরা। ব
এদিকে, এ ঘটনার বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
দুই সন্তানের জননী মনিকার এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা।