ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নারীর আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেললেন যুবক, অবশেষে ধরা রাজাপুরে এনসিপির উঠান বৈঠক মঠবাড়ীয়া উপজেলার বিএনপিতে ফ্যাসিষ্ট দোসরদের পদ পদবী পাওয়ার কারনে ঝুকি পূর্ন সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ লা সেপ্টেম্বর খুলছে প্রবেশের দ্বার রাণীশংকৈলে আদালতে মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে সন্তানের লাশ কবর থেকে উত্তোলন বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জনাব তারেক রহমান ঠাকুরগায়ে গন অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার দীর্ঘ ২৩ বছর পরে আজিজ আহমেদ কলেজ ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল কমপ্লিট শাটডাউনে পবিপ্রবি বরিশাল ক্যাম্পাস একটি সুন্দর পরিবেশ বান্ধব উন্নত ও সমৃদ্ধ রূপগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে, জনাব মোঃ দুলাল হোসেনের অঙ্গীকার

ঘূর্ণিঝড়ের কারনে ৪৯ শতাংশ মোবাইল অপারেটরের সাইট অচল

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪ ১০৪ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় রেমাল এবং স্থল নিম্নচাপের ফলে সৃষ্ট ঝড়, দমকা হাওয়া এবং বৃষ্টির ফলে দেশের ৬৪টি জেলায় অবস্থিত মোবাইল অপারেটরদের ৪৮.৭১ শতাংশ সাইট অচল হয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার কারণে এসব সাইট অচল হয়েছে।

সোমবার (২৭শে মে) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘূর্ণিঝড় রেমালকে কেন্দ্র করে বিটিআরসি মনিটরিং সেল কর্তৃক বিকেল ৪টা পর্যন্ত হালনাগাদ করা রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে সারা দেশে মোবাইল অপারেটরগুলোর ৪৫ হাজার ৬১০টি সাইট রয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার ২১৮টি সাইট বর্তমানে অচল। দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার কারণে চার্জের অভাবে এসব সাইট অচল হয়ে পড়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রোববার (২৬শে মে) রাত ১০টায় ১৭টি জেলায় অচল সাইটের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৬০টি ( ৩২ শতাংশ। সোমবার (২৭শে মে) সকাল ১০টায় ৪৫টি জেলায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৪১০টি (২৮ শতাংশ) এবং বিকেল ৪টায় এর পরিমাণ বেড়ে ৬৪টি জেলায় ২২ হাজার ২১৮টি (৪৮ দশমিক ৭১ শতাংশ) হয়েছে।

সারা দেশে মোবাইল নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ আইন বোর্ডসহ মোট সাতটি দপ্তর এবং একজন উপসচিব এবং সাতটি বিভাগের প্রধানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সংস্থাটির মহাপরিচালক (ইএন্ডও) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমানের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার মোবাইল অপারেটরদের সাইটগুলো থেকে দুর্যোগ কবলিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমের ক্ষেত্রে জনসাধারণের সাথে টেলিযোগাযোগ সম্ভবপর হবে না।

তিনি জানান, এসব সাইটে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা অতি জরুরি। সেজন্য দুর্যোগ জরুরি সেবা হিসেবে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করতে উপকূলীয় জেলাসহ সব জেলায় বিদ্যুৎ প্রবাহ করে এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ পুনঃস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। এই পত্রিকার মূল স্লোগান হলো "সত্য প্রকাশে আপোষহীন"।আমরা এ দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের কথা বলি।একজন অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে অন্যায় প্রতিরোধে সাহায্য করতে আমরা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা গনমানুষের কথা বলে।
ট্যাগস :

ঘূর্ণিঝড়ের কারনে ৪৯ শতাংশ মোবাইল অপারেটরের সাইট অচল

আপডেট সময় : ০৭:১৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমাল এবং স্থল নিম্নচাপের ফলে সৃষ্ট ঝড়, দমকা হাওয়া এবং বৃষ্টির ফলে দেশের ৬৪টি জেলায় অবস্থিত মোবাইল অপারেটরদের ৪৮.৭১ শতাংশ সাইট অচল হয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার কারণে এসব সাইট অচল হয়েছে।

সোমবার (২৭শে মে) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘূর্ণিঝড় রেমালকে কেন্দ্র করে বিটিআরসি মনিটরিং সেল কর্তৃক বিকেল ৪টা পর্যন্ত হালনাগাদ করা রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে সারা দেশে মোবাইল অপারেটরগুলোর ৪৫ হাজার ৬১০টি সাইট রয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার ২১৮টি সাইট বর্তমানে অচল। দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার কারণে চার্জের অভাবে এসব সাইট অচল হয়ে পড়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রোববার (২৬শে মে) রাত ১০টায় ১৭টি জেলায় অচল সাইটের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৬০টি ( ৩২ শতাংশ। সোমবার (২৭শে মে) সকাল ১০টায় ৪৫টি জেলায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৪১০টি (২৮ শতাংশ) এবং বিকেল ৪টায় এর পরিমাণ বেড়ে ৬৪টি জেলায় ২২ হাজার ২১৮টি (৪৮ দশমিক ৭১ শতাংশ) হয়েছে।

সারা দেশে মোবাইল নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ আইন বোর্ডসহ মোট সাতটি দপ্তর এবং একজন উপসচিব এবং সাতটি বিভাগের প্রধানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সংস্থাটির মহাপরিচালক (ইএন্ডও) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমানের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার মোবাইল অপারেটরদের সাইটগুলো থেকে দুর্যোগ কবলিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমের ক্ষেত্রে জনসাধারণের সাথে টেলিযোগাযোগ সম্ভবপর হবে না।

তিনি জানান, এসব সাইটে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা অতি জরুরি। সেজন্য দুর্যোগ জরুরি সেবা হিসেবে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করতে উপকূলীয় জেলাসহ সব জেলায় বিদ্যুৎ প্রবাহ করে এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ পুনঃস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।