কালিগঞ্জের উজয়মারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দুচরিত্র,ছাত্রী ধর্ষণকারী, লম্পট, যৌতুক লোভী শেখ আবু সাঈদ কর্তৃক নারী নির্যাতন

- আপডেট সময় : ১২:৩৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

বিউটি খাতুন,স্টাফ রিপোর্টার বাংলাদেশ:-
কালিগঞ্জের উজয়মারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেখ আবু সাঈদ কর্তৃক নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। তিনি ১৬/০৬/২০১৭ সালে আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের বলাডাঙ্গা গ্রামের মোছাঃ কেয়া পারভীনের সাথে পারিবারিক ভাবে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের কিছুদিন পরে জানতে পারে তার স্বামী শেখ আবু সাঈদ ছাত্রী ধর্ষণ এবং বিভিন্ন নারী কেলেঙ্কারির সাথে যুক্ত এবং ইতোপূর্বে তার বিবাহ এবং একটি ছেলে সন্তান ছিল। তার দুচরিত্রের কারণে সে সংসার ও টিকে নি । কিন্তু বিবাহের সময় ঐ কথা টা গোপন রাখে। তার দুচরিত্রের কারণে ইতোপূর্বে তার ৪-৫ বার সাসপেন্ড হয়েছে। তারপর থেকে চলতে থাকে যৌতুকের দাবিতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন।বার বার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে এক পর্যায়ে তাকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে আপোষ মীমাংসার জন্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে, মহিলা ও আইন সালিশ কেন্দ্রে অভিযোগ দিলে কোন নোটিশ গ্রহণ করে নি এবং গরহাজির ছিল। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দিলে ও তারা তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেই নি ।সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের উপস্থিতিতে সেকেন্ড অফিসার আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন তাকে ছাত্রী ধর্ষণ ওনারী কেলেঙ্কারির কারণে বহুবার সাসপেন্ড দেওয়া হয়েছে , তবুও তার চরিত্র ভালো হয়নি । তোমাকে এক প্লেট বিরিয়ানী দিচ্ছি খেয়ে কাঁচা দুধ দিয়ে গোসল করে বাড়ীতে যাও। তারপর থেকে সে হুমকি দেয় শিক্ষা অফিস ও আমার কিছু করতে পারবে না। পরে গত ৮ ই অক্টোবর সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইডে অভিযোগ দিলে ও নোটিশ গ্রহণ করে নি ।গত ৪ ই নভেম্বর লিগ্যাল এইডে দিন থাকলে হাজির না হলে জেলা লিগ্যাল এইডের অফিস সহকারী তৌহিদ আহমেদ তার নাম্বারে ফোন করলে ও রিচিভ করেনি। সেই দিন সন্ধ্যায় ওই লম্পট শিক্ষক ও ই ভুক্তভোগী নারীর কাছে ফোন দিয়ে বলে আমি আসতেছি তোমাদের বাড়ি, আমি তোমাকে নিয়ে এসে ভালোভাবে ঘর সংসার করবো, পরে রাতে চলে আসে। সবাই যখন গভীর রাতে ঘুমিয়ে পড়ে তখন ঐ যৌতুক ও নারী লোভী শিক্ষক বলে, আমার নামে কেন লিগ্যাল এইডে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তোকে আজ শেষ করে দিব । পরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় , বুকে হাত,পায়ে লোহার লাঠি দিয়ে আঘাত করে। সাথে সাথে তার বমি হতে শুরু করে। তখন তার গলায় দড়ি দিয়ে টানিয়ে দেয়। হাত পায়ের দাপাদাপিতে তার বাড়ির লোকজনের ঘুম ভাঙ্গে। সাথে সাথে ঐ লম্পট দৌড়ে পালিয়ে যায়, ফোন বন্ধ রাখে এবং স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে পলাতক আছে। ভুক্তভোগী ঐ নারী বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গতকাল সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি হন এবং চিকিৎসাধীন আছেন। ভুক্তভোগী ঐ নারী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিষয়টি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।