
অগ্রগতি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, নিবেদিতপ্রাণ, সৎ, নিষ্ঠাবান এবং সকলের ভালোবাসার পাত্র মো. সেলিমুর রহমানের স্মরণে এক নাগরিক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অগ্রগতি সংস্থার আয়োজনে ৭ই নভেম্বর শনিবার বিকাল তিনটার সময় সাতক্ষীরা ত্রিশমাইলস্থ অগ্রগতি রিসোর্টে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অনুষ্ঠানে সংস্থার সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মরহুমের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস (অগ্রগতি সংস্থা), উপপরিচালক মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর নাজমুন নাহার, ফিন্যান্স কো-ডিনেটর মো. ফিরোজ হোসেন (অগ্রগতি সংস্থা), প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রবিউল ইসলাম খোকন (অগ্রগতি সংস্থা), প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুভাস সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক ও ডেইলি স্টার এর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, অধ্যাপক আবদুল হামিদ, মেজর ইসহাক আলী, ইউপি সদস্য (লাবসা) টু্টুল মোস্তফা, এছাড়াও অনুষ্ঠানে অগ্রগতি সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সেলিমুর রহমানের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস আবেগঘন কণ্ঠে মো. সেলিমুর রহমানের সাথে তাঁর দীর্ঘ ৩২ বছরের পথচলার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, “১৯৯৫ সালে যখন আমি একদম শূন্য হাতে সাতক্ষীরায় আসি, তখন থেকেই সেলিমুর রহমান আমার সাথে মিশেছে। আমাদের দুজনের ওপর দিয়ে কত বিপদ গেছে, তা বলে শেষ করতে পারব না; কিন্তু সে কখনো কোনো বিপদকে বিপদ মনে করেনি। স্বার্থ, সম্মান বা সমতা—কোনো ক্ষেত্রেই তার মধ্যে বিন্দুমাত্র ত্রুটি বা হিংসা আমি দেখিনি। ৩২ বছরের পথচলায় আমার চেয়ে অগ্রগতি সংস্থায় সেলিমের দায়িত্ব ও অবদান কোনো অংশেই কম ছিল না, বরং বেশি ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “যেদিন আমার পাশে কেউ ছিল না এবং নিকট আত্মীয়রাও খোঁজ নিত না, সেদিন একমাত্র সেলিমুর রহমানই আমার খোঁজ নিত এবং ৩২ বছরে আমার পিছন থেকে এক পা-ও সরে দাঁড়ায়নি। সে ছিল বলেই আজ এত বড় একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে।”
সভা শেষে মরহুম মো. সেলিমুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমেই স্মরণসভার সমাপ্তি ঘটে।