হাটহাজারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ফটিকছড়ির ২ যুবকের মৃত্যু

- আপডেট সময় : ১০:২৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ:-
বাস- সিএনজি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ২ ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, সকাল বেলা সাতটার দিকে উল্লেখিত স্থানে ফটিকছড়ি মুখি একটি (অজ্ঞাত) বাসের সাথে চট্টগ্রাম মুখি একটি সিএনজি চালিত (চট্টগ্রাম – থ ১৪ ২৭৮৬) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে সিএনজির তিন যাত্রীর মধ্যে কামরুল ঘটনাস্থলে মারা যান। অপর দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের ঘটনার পর পর আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে দায়িত্বরত ডাক্তার কামরুল ইবনে হাসান কে মৃত ঘোষণা করেন এবং গুরুতর আহত দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেন। প্রেরণ কৃত অপর ব্যাক্তি দুপুর ২ টার দিকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চমেকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) সকাল ৭ টা নাগাদ হাটহাজারী উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা কামরুল ইবনে হাসান (৩২)। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড এলাকার ডাচ বাংলা ব্যাংক ইপিজেড শাখার সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার আমতলী বড় বাড়ি নামক স্থানে জানা যায়। অপরজন অলম্পিক গ্রুপে কর্মরত ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউপির মোল্লার বাড়ীর সিরাজুল হকের পুত্র ইমাম হোসেন জুনু (৪৫)। এই নিয়ে প্রতিনিয়ত এই আঞ্চলিক সড়কে মৃত্যুর মিছিল ঘটেই চলছে। সর্বস্তরের মানুষের একটাই কথা এখন এটা মৃত্যু সড়কে পরিণত হয়েছে। অনতিবিলম্বে যদি এই সড়কে ডিভাইডার নির্মাণ করা না হয় তাহলে সামনে এই ভাবেই মৃত্যু ঘটতেই থাকবে। এর একাধিক দাবি ওঠলেও কর্তৃপক্ষ এই নিয়ে নিরবে আছেন। জনগণের প্রশ্ন আর কত রক্ত ঝড়লে সড়ক কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গবে?