ঢাকা ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শাল্লায় মেডিকেলের ছাড়পত্র জাল তৈরীর অপরাধে মামলার বাদী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

তৌফিকুর রহমান তাহের, সুনামগঞ্জ দিরাই-শাল্লা সংবাদদাতা: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ & হসপিটালএ
রোগী ভর্তি না করেই মেডিকেল কলেজের ছাড়পত্র জাল তৈরীর অপরাধে মামলার বাদী রফিক মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
১৮/৫/২৩ ইং তারিখে বাদী রফিক মিয়া বিবাদীদের সঙ্গে কোনরকম ঝগড়ার বিবাদ ছাড়াই গত ১৫/৬/২৩ ইং তারিখে অত্র মোকদ্দমার বাদী রফিক মিয়া সাংবাদিক দিলুয়ার হোসেনসহ ১০ জনকে আসামী করে শাল্লা আমল গ্রহন কারি মেজিস্ট্রেট আদালতে সি আর ৭৫ /২৩ মোকদ্দমাটি দায়ের করিলে বিজ্ঞ আদালত এফেয়ার নির্দেশ প্রধান করেন।
যাহা ২৪/ ০৬/২৩ ইং তারিখে শাল্লা থানায় রেকর্ডকৃত মামলা নাম্বার জিআর ০২/৪১/২৩ হিসেবে নাম্বারভুক্ত হয়।পরবর্তীতে মামলাটি তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে জখমীদের মেডিকেল সার্টিফিকেট জাল প্রমাণিত হওয়ায় চুড়ারান্ত রিপোর্ট মিথ্যা আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম বিপিএম।
১১/২/২৫ ইং ধার্য তারিখে মামলাটি আদালতে চূড়ান্ত শুনানি ও তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। পরে আসামিগণ মামলা থেকে অব্যহতি পায়।
এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করেই বাদী রফিক মিয়ার ভাতিজা মিজবাকে জখমী রোগী উল্লেখ করে ওসমানী মেডিকেল কলেজের নাম ভাঙ্গিয়ে জাল ছাড়পত্র তৈরী আদালতে প্রতারনার আশ্রয়ে জাল রুগীর সনদসৃজন ও ব্য্যবহার করে আদালতের সাথে প্রতারণা করে আদেশ হাসিল করে অত্র মিথ্যা মামলা দায়ের করায় তার বিরুদ্ধে পেনাল কোডে ১৯৩/১৯৫/২১১/৪৬৬/৪৬৮/৪৭৪/ ধারায় মামলা রুজু করার জন্য চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞ আমল গ্রহনকারী আদালত সদর সুনাম গঞ্জ বরাবর প্রেরন করেন।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করেই মেডিক্যাল কলেজের ছাড়পত্র জাল তৈরীর করার অপরাধে মামলার বাদী রফিক মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

১১/২/২৫ ইং ধার্য তারিখে মামলাটি আদালতে চূড়ান্ত শুনানি ও তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। পরে আসামিগণ অব্যহতি পায়।

এমএ ্জি ওসছমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করেই বাদী রফিক মিয়ার ভাতিজা মিজবাকে জখমী রোগী উল্লেখ করে ওসমানী মেডিকেল কলেজের নাম ভাঙিয়ে জাল ছাড়পত্র তৈরী করে রফিক মিয়া। এবং বিজ্ঞ আদালত মোকদ্দমার বাদীকে মিথ্যা মামলা দায়ের করার জন্য বাদীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রধান করিলে বাদী রফিক মিয়ার বিরুদ্ধে সিআর মামলা নং ১৪৫/২৫ মোকদ্দমাটি দায়ের হয়। ফলে মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় জাল ছাড়পত্র তৈরীর অপরাধে মামলার বাদী রফিক মিয়াকে ২১১ ধারায় শোকজ করেছিলেন আদালত।সেই সাথে যায়যায়দিন পত্রিকার শাল্লা উপজেলার প্রতিনিধি সাংবাদিক দিলুয়ার হোসেন সহ ১০ আসামীকে বেকসুর খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বাদী রফিক মিয়াকে আদালত শোকজ করলেও আদালতকে অমান্য করেন রফিক মিয়া। পরবর্তীতে বাদী রফিক মিয়ার বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট জারী করেন। ৩/৭/২৫ ইং তারিখে আদালতে হাজিরা দিলে রফিক মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। এই পত্রিকার মূল স্লোগান হলো "সত্য প্রকাশে আপোষহীন"।আমরা এ দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের কথা বলি।একজন অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে অন্যায় প্রতিরোধে সাহায্য করতে আমরা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা গনমানুষের কথা বলে।
ট্যাগস :

শাল্লায় মেডিকেলের ছাড়পত্র জাল তৈরীর অপরাধে মামলার বাদী কারাগারে

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

তৌফিকুর রহমান তাহের, সুনামগঞ্জ দিরাই-শাল্লা সংবাদদাতা: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ & হসপিটালএ
রোগী ভর্তি না করেই মেডিকেল কলেজের ছাড়পত্র জাল তৈরীর অপরাধে মামলার বাদী রফিক মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
১৮/৫/২৩ ইং তারিখে বাদী রফিক মিয়া বিবাদীদের সঙ্গে কোনরকম ঝগড়ার বিবাদ ছাড়াই গত ১৫/৬/২৩ ইং তারিখে অত্র মোকদ্দমার বাদী রফিক মিয়া সাংবাদিক দিলুয়ার হোসেনসহ ১০ জনকে আসামী করে শাল্লা আমল গ্রহন কারি মেজিস্ট্রেট আদালতে সি আর ৭৫ /২৩ মোকদ্দমাটি দায়ের করিলে বিজ্ঞ আদালত এফেয়ার নির্দেশ প্রধান করেন।
যাহা ২৪/ ০৬/২৩ ইং তারিখে শাল্লা থানায় রেকর্ডকৃত মামলা নাম্বার জিআর ০২/৪১/২৩ হিসেবে নাম্বারভুক্ত হয়।পরবর্তীতে মামলাটি তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে জখমীদের মেডিকেল সার্টিফিকেট জাল প্রমাণিত হওয়ায় চুড়ারান্ত রিপোর্ট মিথ্যা আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম বিপিএম।
১১/২/২৫ ইং ধার্য তারিখে মামলাটি আদালতে চূড়ান্ত শুনানি ও তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। পরে আসামিগণ মামলা থেকে অব্যহতি পায়।
এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করেই বাদী রফিক মিয়ার ভাতিজা মিজবাকে জখমী রোগী উল্লেখ করে ওসমানী মেডিকেল কলেজের নাম ভাঙ্গিয়ে জাল ছাড়পত্র তৈরী আদালতে প্রতারনার আশ্রয়ে জাল রুগীর সনদসৃজন ও ব্য্যবহার করে আদালতের সাথে প্রতারণা করে আদেশ হাসিল করে অত্র মিথ্যা মামলা দায়ের করায় তার বিরুদ্ধে পেনাল কোডে ১৯৩/১৯৫/২১১/৪৬৬/৪৬৮/৪৭৪/ ধারায় মামলা রুজু করার জন্য চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞ আমল গ্রহনকারী আদালত সদর সুনাম গঞ্জ বরাবর প্রেরন করেন।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করেই মেডিক্যাল কলেজের ছাড়পত্র জাল তৈরীর করার অপরাধে মামলার বাদী রফিক মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

১১/২/২৫ ইং ধার্য তারিখে মামলাটি আদালতে চূড়ান্ত শুনানি ও তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। পরে আসামিগণ অব্যহতি পায়।

এমএ ্জি ওসছমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করেই বাদী রফিক মিয়ার ভাতিজা মিজবাকে জখমী রোগী উল্লেখ করে ওসমানী মেডিকেল কলেজের নাম ভাঙিয়ে জাল ছাড়পত্র তৈরী করে রফিক মিয়া। এবং বিজ্ঞ আদালত মোকদ্দমার বাদীকে মিথ্যা মামলা দায়ের করার জন্য বাদীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রধান করিলে বাদী রফিক মিয়ার বিরুদ্ধে সিআর মামলা নং ১৪৫/২৫ মোকদ্দমাটি দায়ের হয়। ফলে মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় জাল ছাড়পত্র তৈরীর অপরাধে মামলার বাদী রফিক মিয়াকে ২১১ ধারায় শোকজ করেছিলেন আদালত।সেই সাথে যায়যায়দিন পত্রিকার শাল্লা উপজেলার প্রতিনিধি সাংবাদিক দিলুয়ার হোসেন সহ ১০ আসামীকে বেকসুর খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বাদী রফিক মিয়াকে আদালত শোকজ করলেও আদালতকে অমান্য করেন রফিক মিয়া। পরবর্তীতে বাদী রফিক মিয়ার বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট জারী করেন। ৩/৭/২৫ ইং তারিখে আদালতে হাজিরা দিলে রফিক মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।