ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জনাব তারেক রহমান ঠাকুরগায়ে গন অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার দীর্ঘ ২৩ বছর পরে আজিজ আহমেদ কলেজ ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল কমপ্লিট শাটডাউনে পবিপ্রবি বরিশাল ক্যাম্পাস একটি সুন্দর পরিবেশ বান্ধব উন্নত ও সমৃদ্ধ রূপগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে, জনাব মোঃ দুলাল হোসেনের অঙ্গীকার তিন দফা দাবিতে পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ পবিপ্রবিতে ১৪ কর্মকর্তার নিয়োগে দুর্নীতির গুঞ্জন,তদন্তে নেমেছে দুদক সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর ইন্তেকাল:গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারীর নাতি চবিতে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত, সব পরীক্ষা স্থগিত :পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার

নেহালপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর বোয়ালমারীর বাক্কা ও কুন্দিপুরের রাশেদুল ও আলামিনের গাঁজা ও ইয়াবার মাদকের রমরমা ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫ ১১১ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম রিপোর্টার:-নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়নে কৃষ্ণপুর বোয়ালমারী গ্রামে পিতা: মৃত রহিম মিয়া ছেলে মোঃ বাক্কা মিয়া (৪০) রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছে প্রসাশনের নাকের ডগায় আর প্রসাশনের নিরব ভূমিকা পালন করে আসছে।এই মাদক গুলো আসছে সীমান্তে হয়ে খুব সহজে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে। তাতে আরো মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটে শক্ত করে চালাতে পারছে, বিগত ১৭বছর আওয়ামী লীগের সাথে এই বাক্কা পদ নিয়ে কাজ করে,আলী আজগর টগরের নেতৃত্বে বিশাল এক বাহিনী গঠন করে থাকে এলাকায়,সেই আওয়ামী লীগের নেতাদের পাওয়ার দেখিয়ে এলাকায় বড় মাদকের নেটওয়ার্ক তৈরি করে। বাক্কা এলাকায় গাঁজা ব্যবসায়ী নামে পরিচিত,বাক্কা গাঁজা খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা করে থাকে,এই গাঁজা বিক্রি করতে গিয়ে কয় একবার পুলিশের হাতে আটক হয়, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে চলাফেরা করার জন্য সে বারবার জামিনে মুক্তি পেয়েছে।তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে গ্রাম সুএে জানা গেছে, তার এখন আর মাদক ব্যবসা করতে কোনো সমস্যা নেই, সেই সুযোগে এলাকায় ছোটবড় সব বয়সের মানুষের কাছে এই গাঁজা বিক্রি করে থাকে, এতে মানুষের হাতের কাছে পাওয়া যাচ্ছে এই মাদক দ্রব্য,এলাকায় স্কুল কলেজের ছাত্র দের দেখা যাচ্ছে আনাগুনা সবাই এই গাঁজা সেবনের দিকে ঝুঁকে পরেছে, এলাকায় বাসীদের অভিযোগ এই গাঁজা ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ না করা গেলে সমাজের বড় খতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে এলাকা গাঁজা বিক্রেতারা।এই মাদকের টাকা যোগাতে এলাকায় চুরি ছিনতাই বেড়ে গেছে তাতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। কৃষ্ণপুর বটতলা বাজারে বাক্ক সবসময় বাজারে থাকে এলাকায় পাশে দোস্ত গ্রাম, মল্লিকপাড়া, ডাঃ পাড়া পাশে কয় এক গ্রাম থেকে লোক জন এসে মাদক দ্রব্য গাঁজা নিয়ে যেতে দেখা যায়।এর প্রতিকার জানতে চাই সুশীলসমাজের মানুষ মুক্তি চায় এই মাদকের ধোঁয়া থেকে।নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর বড় বেলে মাঠ পাড়াগ্ৰামের মৃত্যু কিতাব আলীর  ছেলে মোঃ রাশেদুল মিয়া (৪০) গাঁজা ও ইয়াবার রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছে, মোঃ রাশেদুল মিয়া কৃষ্ণপুর বটতলা বাজারে লোডার হিসেবে কাজ করে,সেই কাজ করে কিন্তু এই কাজ নাম মাত্র লোক দেখানো গাঁজা ও ইয়াবার ব্যাবসা করে আসছে বিগত আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সহযোগিতা মোঃ রাশেদুল মিয়া গাঁজা ও ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে, এলাকায় গাঁজা ও ইয়াবার বড় ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে তোলে, গাঁজা ও ইয়াবার ব্যবসা করে আঙুল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে, আগে সে বেকারত্ব  থাকলোও এখন সে মাদক ব্যবসা করে ঘরবাড়ি ও বড় বড় আওয়ামী লীগার নেতাদের সাথে তার  চলাফেরা, তার সহযোগিতা করে আসে তার চাচাতো ভাই ইমরান সেই এলাকায় মাদক সরবরাহ দিয়ে থাকে বিক্রি করে থাকেন কুন্দিপুর বড় বেলে মাঠপাড়া গ্রামের শেষের দিকে হওয়ায় প্রশাসন এবং লোকজনের আনাগোনা কম থাকলে বিভিন্ন ধরনের লোকের আনাগোনা দেখা যায় এই মাদক কিনতে আসতে এবং যেতে দেখা যায় ,বহু দূর দুরান্ত থেকে এই মাদক কেনার জন্য প্রতিদিন বিকালে নিত্যনতুন মানুষের আনাগোনা দেখা যায় এলাকার পরিবেশ ও সমাজ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং ইমরানের ও রাশেদুল এর সাথে পুলিশের একটা ভালো সম্পর্ক হওয়ায় তাদের মাদক বিক্রি করার কোন সমস্যা হয় না ।এবং তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই মাদক বিক্রি করছে দোস্ত বাজারে লোডার  হিসেবে কাজ করে থাকলে ও কৃষ্ণপুর বাজারে পিছেনের  বাগানে গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করে থাকে, এবং বহু দুর্দান্ত থেকে লোড আনলোডের জন্য আসা  গাড়িগুলোর চালক ও হেল্পার সহজে মাদকগুলো কিনতে পারে,উঠতি বয়সের ছেলেরা এই মাদকের দিকে দিন দিন ঝুঁকে পড়ছে এই মাদক ব্যবসায়ীরা ১০ থেকে ১২ বছর বয়সে ছেলেদের কাছেও এই মাদক সরবরাহ দিয়ে থাকে এই মাদক কিনতে গেলে কোন ঝামেলা  ছাড়াই এই মাদক বাড়ি থেকে এবং দোস্তের বাজার থেকে কিনতে আনে । স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র প্রজন্মের গুলো মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে ছাত্র গুলো দেশের উজ্জ্বল করার যে আলো দেখতে পারছে তাদের মুখে এই মাদক সরবরাহ করছে এই মাদক বিক্রয় কারী গুলো ,  সেখান থেকে তারা গাঁজার  বা ইয়াবার দিকে  আসক্ত হচ্ছে । এবং তাদের বাবা-মার কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে টাকা নিয়ে তারা মাদকের দিকে ঝুকে পড়ছে, এবং এই মাদক কিনতে না পারায় বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পরছে ,দিন দিন চুরি ছিনতাই বৃদ্ধি পাচ্ছেন , এবং সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী গুলো ,সুশীল সমাজের মানুষগুলো এই ধ্বংসের মুখ থেকে মুক্তি চাই, এলাকাবাসী তাদের নিষেধ করতে গেলে তারা এলাকার মানুষকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে  মাদকের ব্যবসা করে আসছে, এই সমাজে এই মাদকের ব্যবসা থেকে মুক্তি চাই এবং এই মাদক নির্মূল করা না গেলে আমাদের দেশে সমাজের বড় একটা ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে,তারা প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এরা মাদকের ব্যবসা করে আসছে,কি হবে এই সমাজের শেষ পরিনিতি।  কৃষ্ণপুর দোস্ত বটতলা বাজার কমিটিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে লোডার ,মোঃ রাশেদুল মিয়ার আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য , প্রসাশনের নিরব ভূমিকা থাকায় এই মাদক এর ব্যবসা দিন দিন বেড়েই চলেছে,হিজলগাড়ীর আইসি ২ মোঃ ছগির উদ্দিন বিষয়টা তদন্ত ও যথাযথ প্রোমান সংগ্রহ করে এই রাশেদুলকে আইনের আওতায় আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। এই পত্রিকার মূল স্লোগান হলো "সত্য প্রকাশে আপোষহীন"।আমরা এ দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের কথা বলি।একজন অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে অন্যায় প্রতিরোধে সাহায্য করতে আমরা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা গনমানুষের কথা বলে।
ট্যাগস :

নেহালপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর বোয়ালমারীর বাক্কা ও কুন্দিপুরের রাশেদুল ও আলামিনের গাঁজা ও ইয়াবার মাদকের রমরমা ব্যবসা

আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

ক্রাইম রিপোর্টার:-নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়নে কৃষ্ণপুর বোয়ালমারী গ্রামে পিতা: মৃত রহিম মিয়া ছেলে মোঃ বাক্কা মিয়া (৪০) রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছে প্রসাশনের নাকের ডগায় আর প্রসাশনের নিরব ভূমিকা পালন করে আসছে।এই মাদক গুলো আসছে সীমান্তে হয়ে খুব সহজে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে। তাতে আরো মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটে শক্ত করে চালাতে পারছে, বিগত ১৭বছর আওয়ামী লীগের সাথে এই বাক্কা পদ নিয়ে কাজ করে,আলী আজগর টগরের নেতৃত্বে বিশাল এক বাহিনী গঠন করে থাকে এলাকায়,সেই আওয়ামী লীগের নেতাদের পাওয়ার দেখিয়ে এলাকায় বড় মাদকের নেটওয়ার্ক তৈরি করে। বাক্কা এলাকায় গাঁজা ব্যবসায়ী নামে পরিচিত,বাক্কা গাঁজা খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা করে থাকে,এই গাঁজা বিক্রি করতে গিয়ে কয় একবার পুলিশের হাতে আটক হয়, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে চলাফেরা করার জন্য সে বারবার জামিনে মুক্তি পেয়েছে।তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে গ্রাম সুএে জানা গেছে, তার এখন আর মাদক ব্যবসা করতে কোনো সমস্যা নেই, সেই সুযোগে এলাকায় ছোটবড় সব বয়সের মানুষের কাছে এই গাঁজা বিক্রি করে থাকে, এতে মানুষের হাতের কাছে পাওয়া যাচ্ছে এই মাদক দ্রব্য,এলাকায় স্কুল কলেজের ছাত্র দের দেখা যাচ্ছে আনাগুনা সবাই এই গাঁজা সেবনের দিকে ঝুঁকে পরেছে, এলাকায় বাসীদের অভিযোগ এই গাঁজা ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ না করা গেলে সমাজের বড় খতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে এলাকা গাঁজা বিক্রেতারা।এই মাদকের টাকা যোগাতে এলাকায় চুরি ছিনতাই বেড়ে গেছে তাতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। কৃষ্ণপুর বটতলা বাজারে বাক্ক সবসময় বাজারে থাকে এলাকায় পাশে দোস্ত গ্রাম, মল্লিকপাড়া, ডাঃ পাড়া পাশে কয় এক গ্রাম থেকে লোক জন এসে মাদক দ্রব্য গাঁজা নিয়ে যেতে দেখা যায়।এর প্রতিকার জানতে চাই সুশীলসমাজের মানুষ মুক্তি চায় এই মাদকের ধোঁয়া থেকে।নবগঠিত নেহালপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর বড় বেলে মাঠ পাড়াগ্ৰামের মৃত্যু কিতাব আলীর  ছেলে মোঃ রাশেদুল মিয়া (৪০) গাঁজা ও ইয়াবার রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছে, মোঃ রাশেদুল মিয়া কৃষ্ণপুর বটতলা বাজারে লোডার হিসেবে কাজ করে,সেই কাজ করে কিন্তু এই কাজ নাম মাত্র লোক দেখানো গাঁজা ও ইয়াবার ব্যাবসা করে আসছে বিগত আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সহযোগিতা মোঃ রাশেদুল মিয়া গাঁজা ও ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে, এলাকায় গাঁজা ও ইয়াবার বড় ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে তোলে, গাঁজা ও ইয়াবার ব্যবসা করে আঙুল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে, আগে সে বেকারত্ব  থাকলোও এখন সে মাদক ব্যবসা করে ঘরবাড়ি ও বড় বড় আওয়ামী লীগার নেতাদের সাথে তার  চলাফেরা, তার সহযোগিতা করে আসে তার চাচাতো ভাই ইমরান সেই এলাকায় মাদক সরবরাহ দিয়ে থাকে বিক্রি করে থাকেন কুন্দিপুর বড় বেলে মাঠপাড়া গ্রামের শেষের দিকে হওয়ায় প্রশাসন এবং লোকজনের আনাগোনা কম থাকলে বিভিন্ন ধরনের লোকের আনাগোনা দেখা যায় এই মাদক কিনতে আসতে এবং যেতে দেখা যায় ,বহু দূর দুরান্ত থেকে এই মাদক কেনার জন্য প্রতিদিন বিকালে নিত্যনতুন মানুষের আনাগোনা দেখা যায় এলাকার পরিবেশ ও সমাজ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং ইমরানের ও রাশেদুল এর সাথে পুলিশের একটা ভালো সম্পর্ক হওয়ায় তাদের মাদক বিক্রি করার কোন সমস্যা হয় না ।এবং তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই মাদক বিক্রি করছে দোস্ত বাজারে লোডার  হিসেবে কাজ করে থাকলে ও কৃষ্ণপুর বাজারে পিছেনের  বাগানে গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করে থাকে, এবং বহু দুর্দান্ত থেকে লোড আনলোডের জন্য আসা  গাড়িগুলোর চালক ও হেল্পার সহজে মাদকগুলো কিনতে পারে,উঠতি বয়সের ছেলেরা এই মাদকের দিকে দিন দিন ঝুঁকে পড়ছে এই মাদক ব্যবসায়ীরা ১০ থেকে ১২ বছর বয়সে ছেলেদের কাছেও এই মাদক সরবরাহ দিয়ে থাকে এই মাদক কিনতে গেলে কোন ঝামেলা  ছাড়াই এই মাদক বাড়ি থেকে এবং দোস্তের বাজার থেকে কিনতে আনে । স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র প্রজন্মের গুলো মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে ছাত্র গুলো দেশের উজ্জ্বল করার যে আলো দেখতে পারছে তাদের মুখে এই মাদক সরবরাহ করছে এই মাদক বিক্রয় কারী গুলো ,  সেখান থেকে তারা গাঁজার  বা ইয়াবার দিকে  আসক্ত হচ্ছে । এবং তাদের বাবা-মার কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে টাকা নিয়ে তারা মাদকের দিকে ঝুকে পড়ছে, এবং এই মাদক কিনতে না পারায় বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পরছে ,দিন দিন চুরি ছিনতাই বৃদ্ধি পাচ্ছেন , এবং সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী গুলো ,সুশীল সমাজের মানুষগুলো এই ধ্বংসের মুখ থেকে মুক্তি চাই, এলাকাবাসী তাদের নিষেধ করতে গেলে তারা এলাকার মানুষকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে  মাদকের ব্যবসা করে আসছে, এই সমাজে এই মাদকের ব্যবসা থেকে মুক্তি চাই এবং এই মাদক নির্মূল করা না গেলে আমাদের দেশে সমাজের বড় একটা ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে,তারা প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এরা মাদকের ব্যবসা করে আসছে,কি হবে এই সমাজের শেষ পরিনিতি।  কৃষ্ণপুর দোস্ত বটতলা বাজার কমিটিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে লোডার ,মোঃ রাশেদুল মিয়ার আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য , প্রসাশনের নিরব ভূমিকা থাকায় এই মাদক এর ব্যবসা দিন দিন বেড়েই চলেছে,হিজলগাড়ীর আইসি ২ মোঃ ছগির উদ্দিন বিষয়টা তদন্ত ও যথাযথ প্রোমান সংগ্রহ করে এই রাশেদুলকে আইনের আওতায় আনা হোক।